প্রথমেই অভিনন্দন আওয়ামীলীগকে এবং দলীয় প্রধান শেখ হাসিনাকে। এ ধরনের বিজয় বাংলাদেশ এক বার মাত্র দেখতে পেরেছিল এর আগে। দেশের মানুষের পালস অনুভব, তত্বাবধায়ক সরকারের ভাল কাজের উচ্চসিত প্রশংসা, সময়ভিত্তিক মেনিফেস্টো ও সাবলীল কথা তাকে অনেক দূরে নিয়ে গেছে। এবছর শেখ হাসিনা এটা পেরেছেন। খালেদা জিয়া পারেননি। তিনি ভুল সময়ে ভুল স্লোগান দিয়েছেন। দেশ বাচাও মানুষ বাচাও স্লোগানে মানুষ উদ্দীপ্ত হবে দেশের মানুষ যখন বুঝবে সে মরতে বসেছে। মানুষ সেটা মনে করেনি। মানূষ ভেবেছে এই তো আর কয়দিন তার পর এ সরকার গেল বলে। বিএনপি কাকে নমিনেশন দিল আর কাকে দিলনা সে বেপারে কিছু বলব না।
আওয়ামীলীগের দাবী মানুষ সন্ত্রাস আর দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে বিএনপিকে প্রতাখ্যান করেছে। বিএনপি’র দুর্নীতিতে মানুষ যেমন হতবিহবল হয়ে পড়েছিল তেমনি আওয়ামীলীগের সততার কথাও কোথাও শোনা যাবেনা। তাহলে কোন ম্যাজিক এই ফল এনে দিল? দেশের সাধারন মানুষ যেমন খালেদা জিয়ার সাধারণ কথা বোঝেনা, তেমনি কোন ম্যাজিকাল বিষয়ও বোঝেনা। বিদেশী পর্যবেক্ষকরা বলেছেন নির্বাচন সঠিক হয়েছে, আমারাও জিকির তুললাম ইয়েছ সঠিক হয়েছে। দেশীয় এত পর্যবেক্ষন প্রতিষ্ঠান আছে ওথচ কারো কথাই যেন আমাদের বিশ্বাস হয়না। সাদারা যা বলে তাই ঠিক। ২০০১ এ শেখ হাসিনার একটা কথার পুনরাবৃতি করি। তিনি বলেছিলেন ‘বিদেশী পর্যবেক্ষকরা ভেতরের ষড়যন্ত্র বুঝবে কী করে’। বাংলাদেশের পলিটিক্যাল জটিলতা দেশের মানুষই বোঝেনা আর ভিন্ন ভাষাভাষী দু দিন এর এরা? আসলেইতো তাই। তারা শুধু ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়াটাই দেখেন, কোন প্লট থাকলে তাতো দেখতে বা বুঝতে পারার কথা নয়। প্লটের কথা কেন বললাম? স্বরাস্ট্র উপদেস্টার কথাই ধরি। উনি বললেন, ‘মানুষ দুর্নীতির বিপক্ষে ভোট দিয়েছে’। এর মানে মানুষ সততার পক্ষে ভোট দিয়েছে। আওয়ামীলীগের আমল কী সততার আমল তা কে না জানে? তাহলে তিনি কেন শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চাদাবাজির মামলা করালেন, আওয়ামীলীগের এত নেতাকে দুর্নীতির জন্য জেলে ঢোকালেন?
তিনি যখন একথা বলেন এর মানে হচ্ছে, সরাসরি একটা নির্দিস্ট দলের বিপক্ষে কথা বলা এবং তার বিপক্ষে কাজ করা। আর তার প্রমান তারাতো দিয়েছেন আগেই দল ভাংগার কাজ হাতে নিয়ে। নির্বাচন কমিশন হাতে তালি বাজাতে বাজাতে বললেন ‘হ্যা হাফিজের গ্রুপই আসল বিএনপি’। খালেদা জিয়া বিএনপি’র কেউ না। আমাদের সর্বোচ্চ ভরসার স্থল বিচার বিভাগও তাই বলে দিলেন। একটা প্রতিষ্ঠিত দলকে টুকরা বানানোর পরে ‘ক্ষমা চাই’ বললেই মাফ পেতে পারেন না সিইসি।
দুদকের কথা ধরা যাক। দেশসুদ্ধি করতে দুর্নীতিমুক্ত করার গুরু দ্বায়িত্ব নিয়ে তাদের মাথা জলা করে ফেলছেন। সবাই আমরা তাদের প্রশংসা করে চলেছি। ইলেকশনের কয়েক দিন আগে মাত্র কোকোর টাকার সন্ধান দেয়ার মত গুরু দ্বায়িত্ব দেশবাসীকে জানানো হল। বিএনপি’র লোকেরাও চেচামেচি শুরু করল এই বলে যে ইলেকশনে প্রভাব ফেলার জন্য দুদক উদ্দেশ্যমূলকভাবে এইগুলো প্রচার করছে। এর মধ্যে যে একটা গহীন ঈঙ্গিত ছিল বিএনপি’র নেতাদের মাথায়ও ঢুকেনাই। মনে হয় জেল থেকে বের হওয়ার পর মাথা তখনও কাজ করা শুরু করে নাই। বিএনপি ক্ষমতায় আসবেনা এটা নিশ্চিত না হয়ে এই কাজ দুদক কোন দিন করতে যাবেনা। নির্ভিক তা প্রমানের জন্য পর পর দুইবার প্রেস কনফারেন্স করল। তাদের মোরালিটি সম্পর্কেতো আমরা জানি। নেতাদের বিরুদ্ধে চাদাবাজির কেসগুলো বাদীরা যখন তুরতুর করে উইথড্র করে নেয় তখনই বোঝা যায়।
কেয়ারটেকার সরকার ক্ষমতায় আসার পর নেতাদের জেলে ঢোকানে শুরু হল। রিমান্ডে চমকপ্রদ তথ্য আসতে থাকল। প্রায় শতভাগ মানুষও সরকারকে সাপোর্ট দিতে থাকল। এদের আবার নতজানু নীতি পরিগ্রহন ও দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতির কারনে সমর্থনের পারদ নামতে থাকে। নামতে থাকলেও নেমে নেমে মাঝামাঝি অবস্থানে ছিল। যারা সাপোর্ট করেনি তারা কিন্তু এই ক্ষণিক সরকারের শত্রু হয়ে যায়নি। জাস্ট সমর্থন উঠিয়ে নিয়েছে। দলীয় সিল এদের গায়ে নাই।
জোট নেত্রী দাড়ালেন এই সরকারের বিরুদ্ধে। নিজের সমর্থনে জোড়ালো কোন কথা শোনা যায়নি, আওয়ামীলীগের ১৯৯৬-২০০০ শাষন আমলের কথাত আমরা জানি, সেই আমল-এর কথা না বলে এই সরকারের বিরুদ্ধে লেগে গেলেন। মানুষ হতাশ হয়েছে এই ভেবে যে দলের নেতাদের গ্রেফতার করায় এই সরকার খালেদা জিয়ার কাছে ভাল না। জেলে যাওয়ার আগে এবং জেলে বসে তিনি দৃঢ়তা দেখিয়ে যে ভাবমুর্তি অর্জন করেছিলেন তা খুইয়েছেন ইলেকশন ক্যাম্পেইন করে। ফলশ্রুতিতে এই সরকার হয়ে পড়ল ভীত। জোট সরকার ক্ষমতায় আসলে এ সরকারের কেউ রেহাই পাবেনা এটা তারা নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। আর ইলেকশন কমিশনতো তাদের পাপের কথা ভুলে যায়নি।
কেউ কি বিপদ ডেকে আনে? কেউ না।
ড. ফখরুদ্দীন আহমেদকে সাংবাদিকরা জিজ্ঞাসা করলেন বিএনপি’র ফলাফল প্রত্যাখান করার বিষয়ে। তিনি নির্বাচন কমিশনের উপর দ্বায় চাপিয়ে যেভাবে স্থান ত্যাগ করলেন তাতে তিনি সকলের কাছে একটা প্রশ্ন রেখে গেলেন। তাকে এভাবে জবাব দিতে আর কখনো দেখা যায়নি। সৎ মানুষ বলেই হয়তো প্রশ্নবোধক চিহ্নটা রেখে গেলেন। কারন, কে না জানে ২৬৩ টি সিট পাওয়ার মত স্বর্গীয় কোন কাজ যেমন আওয়মীলীগও করেনি আর ৩২টা সিট পাওয়ার মত গোনাহ বিএনপিও করেনি।
আর একটা কথা এই বিজয় যদি দুর্নীতি ও নেপোটিজম এর বিরুদ্ধে হয় তাহলে সংস্কারবাদী, তথাকথিত ‘সৎ প্রার্থীরা’ কেন নির্লজ্জভাবে হেরে আসবেন?
শেখ হাসিনাকে আবার অভিনন্দন। পোস্ট ইলেকশন প্রেস কনফারেন্সে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবেন, দারিদ্র্যকে বিদায় দেবেন, বিরোধীদের সংগে নেবেন তিনি এই যে আশার আলো জ্বেলেছেন আমাদের মাঝে, সেই আলো যেন নিভে না যায়।
ই-মেলা থেকে সংকলিত
নির্বাচন ২০০৮: একটা সাদামাটা মূল্যায়ন
টাকা দিলে ঢাবি, বুয়েট, মেডিকেল সব সার্টিফিকেটই মেলে নীলক্ষেতে!!
রাজধানীর নীলক্ষেত এলাকায় দিনেদুপুরে টাকা দিলেই মিলছে নামীদামি প্রতিষ্ঠানের সনদ। ৩০০ টাকা থেকে ৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে এসব সনদ।
কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্প্রতি মাস্টার্স পরীক্ষা শেষ করেছেন রফিকুল ইসলাম (ছদ্মনাম) ঢাকায় এসেছেন চাকরির খোঁজে। বর্তমানে চাকরির ইন্টারভিউয়ের জন্য বিভিন্ন জায়গায় বায়োডাটা জমা দিচ্ছেন তিনি। তবে বেশিরভাগ চাকরিতে কম্পিউটারের ওপর দক্ষতা প্রয়োজন। কিন্তু তার কোনো কম্পিউটারের অভিজ্ঞতা নেই। এ পরিস্থিতিতে চাকরি পেতে কম্পিউটারের একটা সার্টিফিকেট খুবই প্রয়োজন রফিকুলের। পরে এক বন্ধুর কাছে জানতে পেরে তিনি দৌড়ান ঢাকার নীলক্ষেত এলাকায়। নীলক্ষেত এলাকার বাকুশাহ সুপার মার্কেট থেকে মাত্র ১০০ টাকার বিনিময়ে তিনি সংগ্রহ করেন তার কাক্সিক্ষত কম্পিউটারের সার্টিফিকেট।
এ ঘটনার সূত্র ধরে গতকাল শুক্রবার বাকুশাহ সুপার মার্কেটে গিয়ে যা দেখা যায় তা কল্পনাকেও হার মানায়। সার্টিফিকেটের ক্রেতা সেজে ওই মার্কেটের একাধিক দোকানির সঙ্গে কথা বলে যা জানা যায় তা বিস্ময়কর ও ভয়ানক। প্রথমে কথা হয় বিছমিল্লাহ বুক হাউসের এক বিক্রেতার সঙ্গে। এসএসসি ও এইচএসসির সার্টিফিকেট পাওয়া যাবে কি না জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন কবে প্রয়োজন? আজই প্রয়োজন। এর উত্তরে তিনি বলেন, ‘আজ লাগলে দুইটার জন্য ৫ হাজার টাকা লাগবে। আগামীকাল নিলে ৩ হাজার টাকা।’ এরপর দরকষাকষির একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘ভাই নেয়ার সময় দেখা যাবে।’
পাশের গলিতে একইভাবে কথা হয় সান কম্পিউটারের বিক্রেতার সঙ্গে। কম্পিউটারের ওপর সার্টিফিকেট হবে কি না জানতে চাইলে ওই দোকানি বলেন, কত দিনের কোর্সের প্রয়োজন। কিছু বলার আগেই তিনি বলতে শুরু করেন, ৩ মাসের কোর্সের সার্টিফিকেট নিতে হলে ৩০০ টাকা লাগবে। আর ডিপ্লোমা কোর্সের জন্য লাগবে ১ হাজার টাকা। একটা নমুনা কপি দেয়া যাবে কি না জানতে চাইলে তিনি ৫ টাকার বিনিময়ে অফসেট পেপারে ধানমন্ডির ইনস্টিটিউট অব গ্রাফিক্স ডিজাইন অ্যান্ড অপারেটিং সিস্টেমের একটি নমুনা সনদ দেখান। পরে তিনি আরো জানান, অরিজিনালটা নেয়ার সময় ফোর কালারে বোর্ডের কাগজের মতো একই ধরনের সার্টিফিকেট দেয়া হবে। এ ছাড়া তার কাছ থেকে ডেফোডিল, বীকন, ভূঁইয়া কম্পিউটারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সার্টিফিকেট নেয়া যাবে বলে ওই দোকানি জানান।
একই ঢংয়ে কথা হয় টাচ্ কম্পিউটার পয়েন্টের বিক্রেতার সঙ্গে। কিছু বলার আগেই তিনি বলেন, ‘ভাই কিছু লাগবে’। আমার একটা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ওপর অনার্স সার্টিফিকেট প্রয়োজন এটা বলার সঙ্গে সঙ্গে ওই দোকানের বিক্রেতা বলেন, কারটা দরকার ঢাকা, বুয়েট নাকি প্রাইভেট। প্রাইভেট দিলেই চলবে। এটা শোনার পর তিনি বলেন, ৩ হাজার টাকার কমে হবে না। একইভাবে নীলক্ষেত এলাকার বাকুশাহ মার্কেটের একাধিক দোকানে ক্রেতা সেজে এ ধরনের জাল সনদ বিক্রির অসংখ্য প্রমাণ পাওয়া যায়।
সরেজমিন ওই মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ দোকানের ব্যবসার একটি বিরাট কারবার হলো জাল সনদ বিক্রি। স্কুল-কলেজ থেকে শুরু করে বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সব প্রতিষ্ঠানের সনদই এখানে পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া এ মার্কেটে জাল নাগরিক সনদ, জাল নিবন্ধন সনদসহ যাবতীয় ভুয়া কাগজপত্রের এক বিপুল সমারোহ। নানা ধরনের জাল কাগজপত্রের জন্য কেবল ঢাকা শহরেই নয়, সারাদেশেই এ মার্কেটের পরিচিতি ছড়িয়ে পড়েছে। ফলে দেশের নানা প্রান্ত থেকে প্রতিদিনই এ মার্কেটে জাল কাগজপত্রের ক্রেতারা ভিড় জমান। জাল সার্টিফিকেট ক্রয় করতে আসা আবদুর রহমানকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘আগামী দুদিনের মধ্যে আমার একটা কোম্পানিতে ইন্টারভিউ রয়েছে। সেখানে আমাকে কম্পিউটারের ওপর শর্ট কোর্সের একটা সার্টিফিকেট দেখাতে হবে। কম্পিউটারের ওপর একটু-আধটু জানি। সার্টিফিকেটের জন্য এখানে এসেছি।’ এর আগেও এ মার্কেট থেকে তিনি এইচএসসির সার্টিফিকেট ক্রয় করেছেন বলে জানান। এ মার্কেট ঘুরে এবং সার্টিফিকেট নিয়েছেন এমন অনেকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ মার্কেটে জাল সনদ এমনভাবে তৈরি করা হয় যা দেখতে অরিজিনাল সার্টিফিকেটের মতোই। এখান থেকে জাল সনদ ক্রয় করে অনেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করে যাচ্ছেন। ওই মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মনোগ্রাম তাদের কম্পিউটারে সংরক্ষিত আছে। এ ছাড়া এখানে বিভিন্ন সরকারি অফিসারের নামসংবলিত ভুয়া সিলও বিক্রি করা হয়। এ সময় একাধিক জাল সার্টিফিকেটের ক্রেতাকে সেখানে দেখা যায়।
এ ব্যাপারে নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিসুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আমাদের টিম সব সময় এ বিষয়ে সতর্ক (!!??)। এ ধরনের কাজ নীলক্ষেতে হয় এটাও সত্য। মাস ছয়েক আগে একজন অভিযোগ করে মামলা দায়ের করেছিল। আমরা মামলার সূত্র ধরে তদন্ত করে এর সত্যতা পেয়েছি এবং তার চার্জশিটও দিয়েছি। তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তেমন আসে না। যারা এসব সার্টিফিকেট নেয় তারাও বিষয়টি গোপন করে। প্রতারকরা আরো বেশি চালাক। ফলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া কঠিন। আর কার কম্পিউটারে কী হচ্ছে সেটা দেখাও মুশকিল। পেছনে যাওয়ামাত্রই তারা তা ডিলেট করে দেয়। তবে কেউ আমাদের সহযোগিতা চাইলে পুলিশ দিয়ে হলেও এ ব্যাপারে সহযোগিতা দেবো।
দৈনিক ডেস্টিনি থেকে.......
ফোন করে পিসি চালু করার পদ্ধতি নিয়ে আসছে ইন্টেল
বিশ্বখ্যাত ইন্টেল কর্পোরেশন বাজারে নিয়ে আসছে ইন্টারনেট ফোন কলে কম্পিউটার চালু করার প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে পাওয়ার সেভিং স্লিপে থাকা পিসি ইন্টারনেট ফোন কলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়ে যাবে।ফোন কল রিসিভ করতে অনেক সময় পিসি পুরোপুরি চালু রাখতে হয়। এতে কল রিসিভের জন্য অকারণ শক্তির অপচয় হয়।
ইন্টারনেটের মাধ্যমে পিসিতে ফোন আসা মাত্র ইন্টেল ঘোষিত এই প্রযুক্তি পিসিকে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে পুরো শক্তি সরবরাহ করে স্লিপ মুড থেকে স্বাভাবিকে ফিরিয়ে আনবে। তখন পিসি তার মাইক্রোফোন ও লাউডস্পিকার চালু করে ইউজারের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে, এর পর কলটি সংযুক্ত করবে।
ইন্টারনেট টেলিফোন কোম্পানি ‘জাজাহ’ এই ফিচারটির প্রথম ব্যবহারকারী হতে যাচ্ছে। জাজাহ-এর চিফ একজিকিউটিভ ট্রেভর হেলি বলেন, “যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে পিসিকে এই প্রযুক্তি আরও একধাপ এগিয়ে নেবে।”
রিমোর্ট ওয়েকআপ ক্ষমতা সম্পন্ন প্রথম ইন্টেল মাদারবোর্ডগুলো সামনের মাসে সরিয়ে ফেলা হবে বলে জানান ইন্টেলের কনজুমার প্রোডার্ট মার্কেটিং ডিরেক্টর জো ভেন ডি ওয়াটার।
কম্পিউটারের কেন্দ্রে অবসি'ত এই সব উপাদান সাধারণত ছোট প্রস'তকারক কোম্পানি ব্যবহার করে। ডেল আইএনসি এবং পেকার্ড কমের মত বড় প্রস্তুতকারকরা নিজস্ব মাদারবোর্ড সলিউশন ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু ইন্টেল এসবের সাথে প্রযুক্তিগত সুবিধাও দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে।
চার ধরণের প্রাথমিক রিমোর্ট ওয়েকআপ মাদারবোর্ডগুলো ডেস্কটপ কম্পিউটারে ব্যবহার করা হবে। এর জন্য তারের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগের প্রয়োজন হবে, কেননা স্লিপ মুডে ওয়াই-ফাই অকার্যকর।
ভেন ডি ওয়াটার জানান, ব্যবহারকারী যে সকল সার্ভিসের গ্রাহক হবেন শুধুমাত্র সে সকল কলে কম্পিউটার চালু হবে। তাই ভুল কলে পিসি চালু হওয়াটা অসম্ভব।
অন্যদিকে ওয়েব কোম্পানি এবং ফোন সিস্টেমের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারক হিসেবে ক্যালির্ফোনিয়া ভিত্তিক জাজাহ নিজেদেরকে তৈরি করছে। এপ্রিলের এক চুক্তি অনুসারে এরা ইয়াহু মেসেঞ্জারের ফোন সেবাদানকারী হিসেবে নিয়োগ পায়।
নাম্বার এবং নাম উভয় দিয়ে ডায়াল করে গ্রাহক পিসি চালু করতে সক্ষম এই পদ্ধতি। গুগল টক এবং মাইক্রোসফটের উনডোজ লাইভ মেসেঞ্জারের মত ইন্টারনেট ভয়েজ সার্ভিস এবং অন্যান্য ইন্সট্যান্ট মেসেজিং সার্ভিসে পিসি চালু করার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে জাজাহ বলে জানান হেলি।
সজীব ওয়াজেদ জয় : বাংলাদেশের এক ডালিমকুমার
আওয়ামী লীগের প্রেসিডেন্ট শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় বেশ কয়েক বছর বিদেশ থাকার পর যখন দেশে ফিরে এসেছিলেন, বিমানবন্দরসহ সর্বত্র তাকে দেয়া হয়েছিল সংবর্ধনা। শেখ হাসিনার ইচ্ছা ছিল তার উত্তরসূরি হিসেবে তারপরে জয়ই হবেন দলের প্রধান। কিš' রাজনীতিবিদের কঠিন দায়িত্ব জয় কী পালন করতে পারবেন? আপাত দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে তিনি যুক্তরাষ্টের জীবন যাপনে অভ্যস্ত এবং খুশি। যদিও বেশ কয়েকবারই তিনি সেখানে আইনের কঠিন আবদ্ধে ধরা পরেছেন। চলতি সপ্তাহে প্রকাশিত সাপ্তাহিক প্রোবে এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদনের ট্রান্সক্রিয়েশন করেছেন ফয়সল আবদুলাহ ও সৈয়দ মাহ্মুদ জামান। (আমাদের সময়)
মাতাল হয়ে গাড়ি চালানো, অবৈধ অস্ত্র এবং জয়
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জীবনযাপন জয়কে খুব একটা পরিবর্তন করতে পারেনি। তার চরিত্রিক বৈশিষ্ট্যের বেপরোয়া ভাব বার বার ফিরে এসেছে তার জীবনে। বিভিন্ন রেকর্ড খুঁজে দেখা গেছে তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলাও হয়েছে।
তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে মাতাল হয়ে গাড়ি চলানো, অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, রাডার ডিটেকশন ডিভাইসের অবৈধ ব্যবহার এমনকি অবৈধ অস্ত্র রাখা। এসব কৃতকর্মের জন্য তাকে কারাবাসও করতে হয়েছে, মোটা অংকের জরিমানাতো আছেই। শেখ হাসিনা যদি দলের ভবিষ্যৎ নেতা হিসেবে চিন্তা করে থাকেন, তবে জয়ের চেয়ে অনুপযুক্ত প্রার্থী তিনি পাবেন না।
জয় মূলত অরাজনৈতিক চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে চলেছেন। তিনি বাড়িতে জনসাধারণের ভিড় একেবারেই পছন্দ করেন না। তাছাড়া রাজনীতির প্রতি তার অপছন্দও তিনি প্রকাশ করেছেন। আগ্রহ বা কৌতূহল নিয়ে শেখ মুজিবের নাতির সঙ্গে দেখা করতে আসা অনেকের সঙ্গেই জয় অবজ্ঞাপূর্ণ আচরণ করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করতে গিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে আপাত কোনও সম্পর্ক জয় রাখেননি। তার মার রাজনৈতিক দলটির প্রতিও তার কোনও আসক্তি ল করা যায়নি, এমনকি দেশে তার পরিবারের সঙ্গে বসবাস করার ইচ্ছাও তার ছিল না।
জয়ের জীবনে প্রেম ও বিয়ে
শেখ হাসিনার শাসনামলে (১৯৯৬-২০০১) স্কুল জীবনের এক বান্ধবীর সঙ্গে জয়ের বাগদান হয়। কনে ভারতের এক শিখ পরিবারের মেয়ে। শেখ হাসিনা সরকারি সফরের নামে লন্ডনে গিয়েছিলেন বিয়ের কথা পাকা করতে। সঙ্গে গিয়েছিল আÍীয়-স্বজন ও পারিবারিক বন্ধু-বান্ধব। আরও সঙ্গে নিয়েছিলেন ঢাকার বিখ্যাত ফখরুদ্দিন বাবুর্চির সহকারীদের। তবে তার একমাত্র শর্ত ছিল মেয়েকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে হবে। কিš' সেই মেয়ে এতে অস্বীকৃতি জানায়। মানসিকভাবে বিপর্যস্ত শেখ হাসিনা সেদিনই সকল অনুষ্ঠান বাতিল করে দেন। তিনি সারাদিনই হোটেলের কে নিজেকে আবদ্ধ করে রাখেন এমনকি কারও সঙ্গে কথাও বলেননি। বিয়ের সেই অনুষ্ঠান আর হয়নি। কোনও অনুষ্ঠান না হওয়ায় অতিথিরা বিরিয়ানি না খেয়েই ঢাকায় ফিরে আসেন।
জয় বর্তমানে মার্কিন নাগরিক ক্রিস্টিন অ্যান ওভারমাইন ওরফে ক্রিস্টিনা ওয়াজেদের সঙ্গে বিয়ের বদ্ধনে আবদ্ধ। ২৬ অক্টোবর ২০০২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে তাদের বিয়ে হয়। জনৈক রিচার্ড ডি লুমিসের সঙ্গে আগে ক্রিস্টিনের বিয়ে হয়েছিল বলে জানা গেছে। গুজব শোনা গিয়েছিল জয়-ক্রিস্টিনার তালাক আসন্ন। তবে সন্তান জন্মের কারণে সম্পর্কের টানাপোড়েন বা আলাদা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা সম্ভবত এখন আর নেই।
গ্রেফতার এবং অভিযোসমুহ
১৪ জুন ১৯৯৮, টেক্সাসের টারান্ট কাউন্টিতে জয় গ্রেফতার হন। তার বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র রাখা ও মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালানোর অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে ১২০ দিনের কারাবাস, ২৪ মাসের প্রোবেশন এবং ৫০০ ডলার জরিমানার আদেশ দেয়।
৬ ফেব্র“য়ারি ২০০৬, ভার্জিনিয়ার হ্যানোভার কাউন্টিতে গ্রেফতার হন জয়। তার বিরুদ্ধে বেপরোয়া গাড়িচালানো এবং বেআইনিভাবে রাডার ডিটেকটর সঙ্গে রাখার অভিযোগ আনা হয়। সাজা একদিনের হাজতবাস এবং জরিমানা।
১৯ মার্চ ২০০০, ভার্জিনিয়ার ফেয়ারপ্যাক্স কাউন্টিতে জয় গ্রেফতার হন। বিচারে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আদালত তাকে ৩০ দিনের সাসপেন্ডেড কারাবাস সঙ্গে ১২ মাসের প্রোবেশন ও ৪০০ ডলার জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ২৯ এপ্রিল ২০০১, ভার্জিনিয়ার রাপাহ্যানোক কাউন্টিতে এবং ২০ মে ২০০৪, আরলিংটন কাউন্টিতে বেপরোয়াভাবে গাড়ি চলানোর দায়ে অভিযুক্ত হন জয়। প্রতিটি ক্ষেত্রেই আদালতের খরচও জয়কেই বহন করতে হয়েছে।
মা ক্ষমতায় আসার পরই জয়ের পোয়াবারো
আওয়ামী লীগ মতায় আসার পর মা যখন প্রধানমন্ত্রী হলেন, তখুনি জয় ব্যবসা শুরু করলেন। তার ব্যবসা ছিল টেক্সাস ভিত্তিক ইনফোলিংক ইন্টারন্যাশনাল (নভেম্বর ’৯৮ থেকে মার্চ ’০১) এবং নোভা বিডি ইন্টারন্যাশনাল এলএলসি (মে ’৯৮ থেকে আগস্ট ২০০১) এর সঙ্গে। সমুদ্রতল দিয়ে ক্যাবল প্রজেক্টে নোভা বিডি ইন্টারন্যাশনালের এর মাধ্যমে তার সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল SEAMEWE-৪ -এর সঙ্গেও। কোনো এক মাহবুব রহমানকে সঙ্গী করে জয় টাইকো কম্যুনিকেশনের (ইউএসএ) সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।
২০০৫-এর মার্চে জয় ওয়াজেদ কনসাল্টিং ও সিম গোবাল সার্ভিস নামের আরও দুটো কম্পানি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তবে তা হয়েছিল আওয়ামী লীগের মতা চলে যাওয়ার পর। মজার বিষয় হল, এ দুটো কোম্পানির বার্ষিক বিক্রয়ের পরিমাণ দেখানো হয়েছিল ৬১ হাজার ও ৩৫ হাজার ডলার। তারপরও জয় ২০০৬-এর ১২ মে তার নিজের নামে ৩৮১৭ বেল ম্যানর কোর্ট, ফলস চার্চ, ভার্জিনিয়া- এ ঠিকানায় ১০ লাখ ডলার দামের একটি বাড়ি কেনেন। এমনকি সেই বাড়ির মালিকানায় তার স্ত্রীর নাম ছিল না। তিনি ২ লাখ ডলার নগদ ও বাকি টাকা কিস্তিতে পরিশোধ করেন। বাড়ির আসল মূল্য লুকাতে এখানে চতুরতার পরিচয় দিয়েছেন জয়। তার আগে অবশ্য জয় তার স্ত্রীসহ যৌথ মালিকানায় ৭ লাখ ৪৯ হাজার ডলার দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আরেকটি বাড়ি কিনেছিলেন।
ব্যবসা যেন এক কাপ চা
শেখ হাসিনা মতায় আসার পর জয়ের বোন সায়মা ওয়াজেদ হোসেনের (পুতুল) স্বামী খন্দকার এম হোসেনও যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবসা শুরু করেন। তবে কয়েক বছরের মধ্যেই তিনি তার ব্যবসা গুটিয়ে নেন। তার ব্যবসাগুলোর মধ্যে উলেখযোগ্য ছিল, বাংলাদেশ মেটাল এন্ড পাইপস ট্রেডিং কর্পোরেশন, সোনালী ইনকর্পোরেশন, ডগস হোলসেল ইনক, আফসানা ইনক, এবং জাম্পি কর্পোরেশন। মনে হতে পারে, তাদের দুজনের (জয় ও খন্দকার এম হোসেন) কাছে ব্যবসাটা এক কাপ চায়ের মতোই। তবে দুজনের কেউই ব্যবসায় খুব একটা অর্থের মুখ দেখেননি। অথচ ব্যবসায় দুজন আর্থিক সঙ্কটে ভূগেছেন, এমনটাও শোনা যায়নি। হয়তো বা মায়ের আশীর্বাদেই।
যুক্তরাষ্ট্রে পুতুল ও তার স্বামীর তিনটি বাড়ি
সায়মা ওয়াজেদ হোসাইন, ডাক নাম পুতুল। শেখ হাসিনার কন্যা ও জয়ের ছোট বোন। স্বামী খন্দকার মাহাবুব হোসেনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে তার উলেখযোগ্য পরিমাণে সম্পদ রয়েছে। হুট করে নয়, বিভিন্ন সময়ে ধীরেসুস্থেই তারা একটি একটি করে সম্পদের মালিক বনেছেন। আর এ কারণেই সব সময় আলোচনা-সমালোচনার আড়ালে থেকেছেন তারা। ব্যবসায়ে লাভের পরিমাণ নামমাত্র দেখালেও পুতুল ও তার স্বামী খন্দকার মাহাবুব বাড়ি কিনেছেন লাখ ডলার দিয়ে। তাও একটি নয়, যুক্তরাষ্ট্রের ফোরিডাতে তাদের দুজনের নামে রয়েছে তিনটি বিলাসবহুল বাড়ি।
৪৫৬ নর্থ বে পয়েন্ট ওয়ে, জ্যাকসনভিল, ফোরিডা। এটি একটি ছোট বাসভবন। মালিকানা পুতুল ও তার স্বামী দুজনেরই। ২০০৫-এর ১ নভেম্বর ২ লাখ ৪৫ হাজার ডলার ব্যয়ে তারা এটি মেরিল এন্ড প্রিসসিলা কিংয়ের কাছ থেকে কিনেছিলেন।
৮৪৫ ইয়র্ক ওয়ে, মেইটল্যান্ড, ফোরিডা। এটিও একটি ছোট পরিবার ঘরানার বাড়ি। মালিক দুজনেই। মূল্য ৩ লাখ ১১ হাজার ডলার।
২০৬৫ ডবলিউ ১১৯ এভিনিউ, মিরামার, ফোরিডা। এ ভবনটিরও মালিক স্বামী-স্ত্রী। কেনা হয়েছিল ’৯৮’র ২৮ অক্টোবর। বাড়িটির দাম তখন ছিল ১ লাখ ৫৪ হাজার ৩শ ডলার।
ধূমপান প্রতিরোধে ৫শ মিলিয়ন ডলার দিলেন বিল গেটস ও ব্লুমবার্গ
বিশ্বের অন্যতম সেরা ধনী বিল গেটস এবং নিউইয়র্ক সিটির মেয়র মাইকেল ব্লুমবার্গ ৫শ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ করেছেন ধূমপান থেকে মানুষকে বিরত হওয়ার প্রকল্পে। ২৩ জুলাই নিউইয়র্কে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে তারা দুই জন অঙ্গীকার করেন। বরাদ্দকৃত অর্থ আগামী ৪ বছরে ব্যয় করা হবে সারাবিশ্বে। প্রসঙ্গত, ইতোপূর্বে বিশ্বের খ্যাতনামা সেবামূলক প্রতিষ্ঠান 'বিল এন্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন' ধূমপান বিরোধী অভিযানে ১২৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। এ অর্থ ৫ বছরে ব্যয় করার কথা। একইভাবে নিউইয়র্কের ধনাঢ্য ব্যবসায়ী ও সিটি মেয়র মাইকেল ব্লুমবার্গের সেবামূলক প্রতিষ্ঠান 'বুমবার্গ ফাউন্ডেশন'ও ৪ বছরে ১২৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, চলতি একুশ শতকে সারাবিশ্বে ধূমপানজনিত রোগে এক বিলিয়নেরও বেশি মানুষের মৃতু্য হবে। এর সিংহভাগই হচ্ছে গরিব এবং মাঝারী আয়ের দেশের নাগরিক। কেননা গরিবেরাই অধিক হারে ধূমপান করছেন বলে সাম্প্রতিক একাধিক গবেষণায় জানা গেছে। উল্লেখ্য, বর্তমানে সারাবিশ্বে ধূমপান বিরোধী অভিযানে ব্যয় হচ্ছে মাত্র ২০ মিলিয়ন ডলার। উপরোক্ত দুটি প্রতিষ্ঠানের অর্থ যোগ হয়ে তা দাঁড়াবে বার্ষিক ১২৫ মিলিয়ন ডলার যার মাধ্যমে এ কার্যক্রম জোরদার করা সম্ভব হবে।
ঋণের বেড়াজালে তৃণমূল নারী : তাহাদের দুঃখগাথা
বিশ্বব্যাপী যখন ৰুদ্র ঋণ প্রকল্পকে মডেল হিসেবে নেয়া হচ্ছে তখন বাংলাদেশে ৰুদ্র ঋণ গ্রহীতাদের মধ্যে অনেকে নিজের উন্নয়ন তো দূরের কথা সহায়-সম্বল হারিয়ে পথের ভিখারি পর্যনত্দ হচ্ছেন। অনেকে কিসত্দির টাকা পরিশোধ করতে না পেরে এনজিও কর্মীদের ধিক্কার ও হুমকির কারণে আত্মহত্যা করছেন। এমন ঘটনা অহরহ ঘটছে। অধিকাংশ এনজিও বা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো শুধু তৃণমূল পর্যায়ের নারীদের ৰুদ্র ঋণ প্রদান করে। যেসব নারীদের ঋণ প্রদান করা হয় তাদের আগে থেকে আয় বর্ধকমূলক কাজের ওপর কোনো প্রশিৰণ থাকে না। এনজিও কর্মীরা তো তাদের টার্গেট পূরণ করতে পারলেই বেতন পাবেন। তাই তারা যাচাই ছাড়া যাকে তাকে ঋণ প্রদান করে থাকেন।
অধিকাংশ ঋণ গ্রহীতা নারীরা ঋণ নিয়ে তাদের স্বামীর হাতে তুলে দেন। দেখা গেছে স্বামী কোনো ৰুদ্র ব্যবসায় বিনিয়োগ না করে টাকা ইচ্ছানুযায়ী খরচ করে ফেলেন। ফলে কিসত্দির দায় এসে পড়ে নারীর ঘাড়ে। কিসত্দির টাকা না দিতে পারলে নারীকে লাঞ্ছনা-গঞ্জনা দেয় এনজিও কর্মীরা। এমনও দেখা গেছে অপমান সহ্য করতে না পেরে অনেক নারী আত্মহত্যা করেন। অনেকে পরিবার আবার কিসত্দির টাকা পরিশোধ করতে বসতভিটা পর্যনত্দ বিক্রি করেন। অথচ এনজিওগুলোর ঋণ নীতিমালায় রয়েছে এক এনজিওর সদস্য অন্য এনজিওর সদস্য হতে পারবে না। কিন্তু এনজিও কর্মীরা তাদের ঊধর্্বতন কতর্ৃপৰের চোখে ধুলো দিয়ে নিজের চাকরি টিকানোর জন্য সেই নীতিমালাকে অগ্রাহ্য করেন।
মোসা. মুনা বিবি (৩৭) একজন গৃহিণী। স্বামী বর্গাচাষি। দুই মেয়ে ও দুই ছেলে নিয়ে সংসার। পরের জমি চাষাবাদ করে মোটামুটি সংসার চলত। গ্রামীণ ব্যাংক কার্যক্রম শুরম্ন করার পর প্রথমে ঋণ নেয়। কিন্তু এক সময় ব্যাঙের ছাতার মতো এলাকায় গড়ে ওঠে বিভিন্ন এনজিও। ওসব এনজিও কর্মীরা ঋণ প্রদানের লৰ্যে দ্বারে দ্বারে ঘুরতে থাকেন। মুনা বিবি প্রায় ৭টি এনজিও থেকে ৰুদ্র ঋণ নেন। স্বামীর একমাত্র সম্বল দুটি হালের গরম্ন। হঠাৎ একটি হালের গরম্ন মারা যায়। এতে স্বামীও বেকার হয়ে যায়। কারণ হাল কিনে বর্গা চাষ করে কোনো লাভ হয় না। জোতদারেরা সব ফসল নিয়ে যায়। তাদের এখন প্রায় দেড় লাখ টাকা দেনা হয়েছে।
এমেলি বেগম (৩৫) চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার প্রত্যনত্দ অঞ্চলে স্বামী, দুই মেয়ে ও এক ছেলে নিয়ে বসবাস করেন। স্বামী দিনমজুর। এক সময় এমেলি বেগম অন্যান্য নারীদের মতো প্রথমে গ্রামীণ ব্যাংক পরে আশা, প্রশিকা, ব্র্যাকসহ কয়েকটি স্থানীয় এনজিও থেকে ঋণ নেন। এতে স্বাবলম্বী হওয়া তো দূরের কথা ঋণের দায়ে শেষ পর্যনত্দ যুব উন্নয়ন অধিদফতর কতর্ৃক দায়ের করা মামলায় জেলহাজতে যেতে হয়। তিনি জানান, এনজিওগুলো শুধু ঋণ দিয়ে কিসত্দি আদায়ের জন্য আসে। কিন্তু ঋণের টাকা নিয়ে কী করা যায় এই বিষয়ে কেউ পরামর্শ দেয় না। ঋণ নিয়ে এখন ফেঁসে গেছি। জানি না কবে দেনামুক্ত হতে পারব।
সুখী বেগমের (৪৫) তিন মেয়ে ও চার ছেলে নিয়ে সংসার। স্বামী একজন ৰুদ্র ব্যবসায়ী। গ্রামীণ ব্যাংক, আশা, প্রশিকা, ঠেঙ্গামারা সবুজ সংঘসহ কয়েকটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়ে তিনি স্বামীকে ব্যবসা করতে দেন। ব্যবসায় বড় ধরনের লোকসান হলে ভিটামাটি পর্যনত্দ বিক্রি করে ঋণ পরিশোধ করতে পারেননি। এক সময় ঋণের দায় থেকে মুক্ত হওয়ার লৰ্যে অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলেদের বিয়ে দিয়ে যৌতুকের টাকা দিয়ে ঋণ পরিশোধ করতে বাধ্য হন। তিনি জানান, ঋণ প্রদানের সময় গ্রম্নপ তৈরির জন্য এনজিও কর্মীরা বাড়িতে ধরনা দেয়। কিসত্দি আদায়ের সময় অমানবিক আচরণও করে। তবে মাঠকর্মীদের কোনো দোষ নেই। কারণ তারা চাকরি বাঁচাতে এই অশোভন ব্যবহার করে থাকে।
ৰুদ্র ঋণের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ের নারীদের স্বাবলম্বী তথা আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তোলার নাম করে অনেক এনজিও ব্যবসা চালাচ্ছে। তারা বাংলাদেশ ব্যাংক কতর্ৃক নিয়ম-কানুনকে অমান্য করলেও তাদের বিরম্নদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয় না। অধিকাংশ স্থানীয় এনজিও প্রতিষ্ঠানের রেজিস্ট্রেশন পর্যনত্দ নেই। সুদের হারও অনেক বেশি। প্রতিটি এনজিওদের নীতিমালায় উলেস্নখ রয়েছে, একজন নারী একটি এনজিও প্রতিষ্ঠানের সদস্য হলে অন্য এনজিওতে তাকে সদস্য হিসেবে নেয়া যাবে না। কিন্তু মাঠকর্মীদের ম্যানেজাররা অন্য এনজিওদের সদস্যদেরও সদস্য করার টার্গেট দেন। এতে মাঠকর্মীরা চাকরি বাঁচানোর জন্য নিয়মনীতি অমান্য করেন। এতে যে নারীর ঋণ প্রয়োজন নেই তাকেও ঋণ নিতে আগ্রহী দেখায়। এ ছাড়াও তৃণমূল পর্যায়ের নারীরা অশিৰিত ও অদৰ। নেই কোনো প্রশিৰণ, নেই ব্যবসার মতো উপযুক্ত পরিবেশ। জানে না কী কাজে ব্যবহার করতে হবে ঋণের টাকা। শেষ পর্যনত্দ ঋণের সব দায় এসে পড়ে নারীর ওপর। এভাবে অনেকের সংসারও ভাঙে।
মাঠকর্মীদের বক্তব্য
শফিকুল আলম (ছদ্মনাম) রম্নরাল রি-কন্সট্রাকশন ফাউন্ডেশন (আরএমএফ) নামক একটি এনজিওতে কর্মরত। এই মাঠকর্মী বলেন, কিসত্দির টাকা আদায় করতে খুবই কষ্ট হয়। বৃষ্টি-বাদলের সময় ঋণ গ্রহীতারা কিসত্দি দিতে পারে না। অফিসের বসদের চাপের কারণে আমরা অভদ্রোচিত আচরণ করতে বাধ্য হই। কিসত্দি আদায় করতে না পারলে বেতন থেকে কেটে নেয়। অনেক সময় সদস্যরা মোবাইল, টিভি, কাঁথাসহ যাবতীয় আসবাবপত্র পর্যনত্দ পানির দরে বিক্রি করেন।
ব্র্যাক ও বাইস নামের এনজিওতে কর্মরত সাবেক এক মাঠকর্মী ফারম্নক জানান, ব্র্যাকে কাজ করতে গিয়ে মানুষের ঘরের টিন বিক্রি করে কিসত্দি আদায় করেছি। বাইস এনজিওতেও একই সমস্যা। ফলে রাগ করে চাকরি ছেড়ে দিয়ে মুদি দোকান দিয়েছি। যাদের কোনো গতি নেই তারা ৰুদ্র ঋণ প্রকল্পে চাকরি করে।
অর্ন্তবাস চোরের বংশধর !!
অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কেভিন রাড অর্ন্তবাস চোরের বংশধর। রাডের এক প্রমাতামহকে অর্ন্তবাস চুরির অভিযোগে ইংল্যান্ড থেকে অস্ট্রেলিয়ায় নির্বাসনে পাঠানো হয়েছিল বলে জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার একটি চার্চ। এছাড়া তার আরেক দাদাকেও এক বস্তা চিনি চুরির দায়ে অস্ট্রেলিয়ায় নির্বাসন দেওয়া হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী রাডের পারিবারিক ইতিহাস জানতে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে গবেষণার পর অস্ট্রেলিয়ার মোরমন চার্চ গতকাল বৃহস্পতিবার এই নতুন তথ্য জানিয়েছে। এ ধরনের পারিবারিক কাসুন্দি ঘেঁটে বের করার কাজে যুক্তরাষ্ট্রের সল্ট লেক সিটি ভিত্তিক মোরমন চার্চের বেশ সুখ্যাতি আছে। চার্চ তাদের গবেষণা ফলাফলে জানিয়েছে, একটি মেয়ের পোশাক ও তার অর্ন্তবাস চুরির দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত রাডের পঞ্চম প্রমাতামহকে ১২ বছর বয়সেই অস্ট্রেলিয়ায় নির্বাসন দেওয়া হয়েছিল। চার্চের টেরি ভিনসন বলেন, পারিবারিক ইতিহাস নিয়ে এ ধরনের গবেষণা আমাদের এটিই অনুধাবন করতে সাহায্য করে যে, আমাদের পূর্বপুরুষদের এনে দেওয়া ঐশ্বর্যই আজ আমরা ভোগ করছি। অস্ট্রেলিয়ায় ইউরোপীয়দের বসতি স্থাপনের ইতিহাস প্রায় শোয়া দুইশ বছরের। সে সময় ব্রিটেনের জঘন্য অপরাধীদের অস্ট্রেলিয়ায় নির্বাসনে পাঠানো হতো। এটা শুরু হয় ১৭৮৮ সালে। ১৮৬৮ সালে এসে এই নির্বাসন বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত এক লাখ ৬০ হাজার দণ্ডিতকে সেখানে পাঠানো হয়।
চার্চ জানিয়েছে, রাডের পঞ্চম প্রমাতামহ মেরি ওয়াদে ব্রিটেনে খুবই দারিদ্রের মধ্যে জীবনযাপন করতেন। তিনি রাস্তা ঝাড়ু দিতেন এবং ভিক্ষা করতেন। ১২ বছর বয়সে ১৭৮৮ সালে তিনি একটি মেয়ের পোশাক ও অর্ন্তবাস চুরি করে ধরা পড়েন। লন্ডনের ওল্ড বেইলি আদালতের বিচারে ১৭৮৯ সালের জানুয়ারিতে ওয়াদে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হন। কিন্তু ৩ মাস পর আরো প্রায় ২০০ জন মহিলা অপরাধীর সঙ্গে তাকে অস্ট্রেলিয়ায় নির্বাসনে পাঠানো হয়। এছাড়া রাডের চতুর্থ প্রপিতামহ থমাস রাডও ছিলেন চোর। এক বস্তা চিনি চুরির দায়ে সাত বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত থমাসকে ১৮০১ সালে অস্ট্রেলিয়ায় নির্বাসনে পাঠানো হয়। সেখানে তিনি আরেক চোর মেরি কাবলকে বিয়ে করেন। কাপড় চুরির দায়ে ১৮০৪ সালে কাবলকে নির্বাসন দেওয়া হয়।
যৌতুক চাওয়ার অভিযোগে স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করলেন স্বামী
টাইটেল ভূল পড়েন নি। আজকের দৈনিক পত্রিকার খবর
১৩ বছর দাম্পত্যজীবন অতিবাহিত করার পর গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়া নিবাসী কামরুল হোসেন তার স্ত্রী ডালিয়া পারভীনসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে (ডালিয়ার ভাই মেহেদী হাসান, মা রিনা বেগম ও পিতা কোমরে আলম শেখ) যৌতুক দাবির অভিযোগে মামলা করেছেন। গত বুধবার মামলাটি দায়ের করা হয়েছে ঢাকা সিএমএম আদালতে।
ঢাকা মহানগর হাকিম ড. মো. আবদুল মজিদ বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে মামলাটি আমলে নিয়ে আসামিদের প্রতি সমন জারির নির্দেশ দিয়েছেন। এ সম্পর্কে বাদীর আইনজীবী মশিউর রহমান মুরাদ জানান, এ ধরণের ঘটনা ব্যতিক্রম হলেও বাস্তব। অনেক স্বামীই স্ত্রীর হাতে নির্যাতিত হয় কিন্তু বলতে পারে না।
অভিযোগে বলা হয়, দাম্পত্যজীবনে তারা দুই সন্তানের জনক-জননী। স্ত্রী বিভিন্ন সময় মা-বাবা ও ভাইয়ের পরামর্শে সংসার না করার ভয় দেখিয়ে ২ লাখ টাকা নিয়েছে। সর্বশেষ তার ভাইকে বিদেশে পাঠানোর জন্য দাবিকৃত ৩ লাখ টাকা না দেয়ায় নগদ ৪ লাখ টাকা ও ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার স্বর্ণালংকার নিয়ে স্ত্রী বাবার বাড়ি চলে যায়। গত ৩০ অক্টোবর স্বামী তাকে আনতে গেলে তিনি জানান, তার নামে ৫ লাখ টাকার ডিপোজিট করে দিতে হবে।
ডিসক্লেইমার: যারা এখনও নানান শংকায় বিয়ে করেন নি, এই লেখাটিতে তাদের জন্য কোন বার্তা নেই।
ই-প্রথম আলোঃ অনলাইনে বাংলা পত্রিকার নবতর যাত্রা
প্রথম আলো গতকাল থেকে ই-প্রথম আলো চালু করেছে। আজকে ঢুকে খুবই সুন্দর লাগলো। আমার যারা অনলাইনে দেশের পত্রিকা পড়ি, আসল পত্রিকার চেহার কখনই পাই না, এ অভিযোগ অনেকের। অনেকেই পত্রিকার বিজ্ঞাপন গুলোও মিস করেন। কিছু কিছু পত্রিকা (ইত্তেফাক, আমাদের সময়..) প্রথম ও শেষ পাতার স্ক্যান কপি হোমপেজে দিত (বিজ্ঞাপন ছাড়া)। কিন্তু প্রথম আলোর এই ভার্সণ টি চমৎকার ইন্টারআ্যাকটিভ মনে হল। প্রথম আলোর কর্পোরেট পলিসি নিয়ে আমার ক্ষোভ থাকলেও এই দারুণ উদ্যোগটিকে স্বাগত জানাই। আশা করব অন্য পত্রিকাগুলোও শীঘ্রই এ ধারা অনুসরণের চেষ্টা করবে।
আর্কাইভ
আওয়ামী লীগ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি কতটুকু বাস্তবায়ন করবে?
আগামী নির্বাচনে কে জিতবে?
সাম্প্রতিক মন্তব্য
পোষ্ট ট্যাগ
- 1971 (1)
- 2008 (1)
- Abused (1)
- ads (3)
- AL (2)
- alo (1)
- article (1)
- bangla (2)
- bangladesh (14)
- bdr (1)
- bengali (1)
- bill (1)
- biography (1)
- block (1)
- blog (3)
- book (2)
- bsf (1)
- computer (1)
- crime (1)
- diary (2)
- drugs (1)
- e-book (2)
- e-prothom (1)
- economics (2)
- education (1)
- election (5)
- entertainment (2)
- fun (6)
- gates (1)
- generation (1)
- girls (1)
- Harassment (1)
- hasina (1)
- ielts (1)
- internet (4)
- iqbal (1)
- jafar (1)
- joy (1)
- killing (1)
- liberation (1)
- love (1)
- magazines (2)
- media (1)
- Mobile. Phone (1)
- movies (1)
- net (1)
- news (9)
- obama (1)
- paper (1)
- pc (1)
- pdf (1)
- pechali (1)
- personal (1)
- plant (1)
- poem (2)
- politics (7)
- protection (1)
- prothom-alo (1)
- proxy (1)
- security (1)
- sex (1)
- sexual (1)
- Sexually (1)
- smoking (1)
- soft (2)
- somewherein (1)
- tech (2)
- tips (1)
- war (1)
- web (2)
- women (3)
- young (2)
এই ব্লগে..
যেকোন বিষয় নিয়ে মেইল করতে পারেন: bdidol@জিমেইল.কম
