রাজধানীর নীলক্ষেত এলাকায় দিনেদুপুরে টাকা দিলেই মিলছে নামীদামি প্রতিষ্ঠানের সনদ। ৩০০ টাকা থেকে ৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে এসব সনদ।
কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্প্রতি মাস্টার্স পরীক্ষা শেষ করেছেন রফিকুল ইসলাম (ছদ্মনাম) ঢাকায় এসেছেন চাকরির খোঁজে। বর্তমানে চাকরির ইন্টারভিউয়ের জন্য বিভিন্ন জায়গায় বায়োডাটা জমা দিচ্ছেন তিনি। তবে বেশিরভাগ চাকরিতে কম্পিউটারের ওপর দক্ষতা প্রয়োজন। কিন্তু তার কোনো কম্পিউটারের অভিজ্ঞতা নেই। এ পরিস্থিতিতে চাকরি পেতে কম্পিউটারের একটা সার্টিফিকেট খুবই প্রয়োজন রফিকুলের। পরে এক বন্ধুর কাছে জানতে পেরে তিনি দৌড়ান ঢাকার নীলক্ষেত এলাকায়। নীলক্ষেত এলাকার বাকুশাহ সুপার মার্কেট থেকে মাত্র ১০০ টাকার বিনিময়ে তিনি সংগ্রহ করেন তার কাক্সিক্ষত কম্পিউটারের সার্টিফিকেট।
এ ঘটনার সূত্র ধরে গতকাল শুক্রবার বাকুশাহ সুপার মার্কেটে গিয়ে যা দেখা যায় তা কল্পনাকেও হার মানায়। সার্টিফিকেটের ক্রেতা সেজে ওই মার্কেটের একাধিক দোকানির সঙ্গে কথা বলে যা জানা যায় তা বিস্ময়কর ও ভয়ানক। প্রথমে কথা হয় বিছমিল্লাহ বুক হাউসের এক বিক্রেতার সঙ্গে। এসএসসি ও এইচএসসির সার্টিফিকেট পাওয়া যাবে কি না জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন কবে প্রয়োজন? আজই প্রয়োজন। এর উত্তরে তিনি বলেন, ‘আজ লাগলে দুইটার জন্য ৫ হাজার টাকা লাগবে। আগামীকাল নিলে ৩ হাজার টাকা।’ এরপর দরকষাকষির একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘ভাই নেয়ার সময় দেখা যাবে।’
পাশের গলিতে একইভাবে কথা হয় সান কম্পিউটারের বিক্রেতার সঙ্গে। কম্পিউটারের ওপর সার্টিফিকেট হবে কি না জানতে চাইলে ওই দোকানি বলেন, কত দিনের কোর্সের প্রয়োজন। কিছু বলার আগেই তিনি বলতে শুরু করেন, ৩ মাসের কোর্সের সার্টিফিকেট নিতে হলে ৩০০ টাকা লাগবে। আর ডিপ্লোমা কোর্সের জন্য লাগবে ১ হাজার টাকা। একটা নমুনা কপি দেয়া যাবে কি না জানতে চাইলে তিনি ৫ টাকার বিনিময়ে অফসেট পেপারে ধানমন্ডির ইনস্টিটিউট অব গ্রাফিক্স ডিজাইন অ্যান্ড অপারেটিং সিস্টেমের একটি নমুনা সনদ দেখান। পরে তিনি আরো জানান, অরিজিনালটা নেয়ার সময় ফোর কালারে বোর্ডের কাগজের মতো একই ধরনের সার্টিফিকেট দেয়া হবে। এ ছাড়া তার কাছ থেকে ডেফোডিল, বীকন, ভূঁইয়া কম্পিউটারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সার্টিফিকেট নেয়া যাবে বলে ওই দোকানি জানান।
একই ঢংয়ে কথা হয় টাচ্ কম্পিউটার পয়েন্টের বিক্রেতার সঙ্গে। কিছু বলার আগেই তিনি বলেন, ‘ভাই কিছু লাগবে’। আমার একটা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ওপর অনার্স সার্টিফিকেট প্রয়োজন এটা বলার সঙ্গে সঙ্গে ওই দোকানের বিক্রেতা বলেন, কারটা দরকার ঢাকা, বুয়েট নাকি প্রাইভেট। প্রাইভেট দিলেই চলবে। এটা শোনার পর তিনি বলেন, ৩ হাজার টাকার কমে হবে না। একইভাবে নীলক্ষেত এলাকার বাকুশাহ মার্কেটের একাধিক দোকানে ক্রেতা সেজে এ ধরনের জাল সনদ বিক্রির অসংখ্য প্রমাণ পাওয়া যায়।
সরেজমিন ওই মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ দোকানের ব্যবসার একটি বিরাট কারবার হলো জাল সনদ বিক্রি। স্কুল-কলেজ থেকে শুরু করে বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সব প্রতিষ্ঠানের সনদই এখানে পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া এ মার্কেটে জাল নাগরিক সনদ, জাল নিবন্ধন সনদসহ যাবতীয় ভুয়া কাগজপত্রের এক বিপুল সমারোহ। নানা ধরনের জাল কাগজপত্রের জন্য কেবল ঢাকা শহরেই নয়, সারাদেশেই এ মার্কেটের পরিচিতি ছড়িয়ে পড়েছে। ফলে দেশের নানা প্রান্ত থেকে প্রতিদিনই এ মার্কেটে জাল কাগজপত্রের ক্রেতারা ভিড় জমান। জাল সার্টিফিকেট ক্রয় করতে আসা আবদুর রহমানকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘আগামী দুদিনের মধ্যে আমার একটা কোম্পানিতে ইন্টারভিউ রয়েছে। সেখানে আমাকে কম্পিউটারের ওপর শর্ট কোর্সের একটা সার্টিফিকেট দেখাতে হবে। কম্পিউটারের ওপর একটু-আধটু জানি। সার্টিফিকেটের জন্য এখানে এসেছি।’ এর আগেও এ মার্কেট থেকে তিনি এইচএসসির সার্টিফিকেট ক্রয় করেছেন বলে জানান। এ মার্কেট ঘুরে এবং সার্টিফিকেট নিয়েছেন এমন অনেকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ মার্কেটে জাল সনদ এমনভাবে তৈরি করা হয় যা দেখতে অরিজিনাল সার্টিফিকেটের মতোই। এখান থেকে জাল সনদ ক্রয় করে অনেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করে যাচ্ছেন। ওই মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মনোগ্রাম তাদের কম্পিউটারে সংরক্ষিত আছে। এ ছাড়া এখানে বিভিন্ন সরকারি অফিসারের নামসংবলিত ভুয়া সিলও বিক্রি করা হয়। এ সময় একাধিক জাল সার্টিফিকেটের ক্রেতাকে সেখানে দেখা যায়।
এ ব্যাপারে নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিসুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আমাদের টিম সব সময় এ বিষয়ে সতর্ক (!!??)। এ ধরনের কাজ নীলক্ষেতে হয় এটাও সত্য। মাস ছয়েক আগে একজন অভিযোগ করে মামলা দায়ের করেছিল। আমরা মামলার সূত্র ধরে তদন্ত করে এর সত্যতা পেয়েছি এবং তার চার্জশিটও দিয়েছি। তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তেমন আসে না। যারা এসব সার্টিফিকেট নেয় তারাও বিষয়টি গোপন করে। প্রতারকরা আরো বেশি চালাক। ফলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া কঠিন। আর কার কম্পিউটারে কী হচ্ছে সেটা দেখাও মুশকিল। পেছনে যাওয়ামাত্রই তারা তা ডিলেট করে দেয়। তবে কেউ আমাদের সহযোগিতা চাইলে পুলিশ দিয়ে হলেও এ ব্যাপারে সহযোগিতা দেবো।
দৈনিক ডেস্টিনি থেকে.......
টাকা দিলে ঢাবি, বুয়েট, মেডিকেল সব সার্টিফিকেটই মেলে নীলক্ষেতে!!
উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহারকারীরা: ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ বাড়ান ২০%
ডিফল্ট হিসাবে উইন্ডোজ এক্সপিতে ২০% ব্যান্ডউইডথ সংরক্ষণ করে রাখা হয় সিস্টেম আপডেট, ইউজার পারফরমেন্স তথ্য ইত্যাদির জন্য। এটি ডিজেবল করার মাধ্যমে আপনার নেটের স্পিড প্রায় ২০% বাড়ানো সম্ভব।
যেভাবে করবেনঃ
Click Start-->Run-->type "gpedit.msc" without the "
This opens the group policy editor. Then go to:
Local Computer Policy-->Computer Configuration-->Administrative Templates-->Network-->QOS Packet Scheduler-->Limit Reservable Bandwidth
Double click on Limit Reservable bandwidth.
এটা দেখাবে যে কনফিগার করা নয়। কিন্তু যখন 'Explain' tab এ যাবেন এটি দেখাবেঃ
"By default, the Packet Scheduler limits the system to 20 percent of the bandwidth of a connection, but you can use this setting to override the default."
এখন এটিকে এনাবল করে জিরো% এ সেট করুন। পিসি রিস্টার্ট করুন।
নেটের সর্বশ্রেষ্ঠ ফ্রি মুভি ডাউনলোড সাইট
সুবিধা গুলো:
১. সব মুভির ডাউনলোড লিংক একটি করে মাত্র..পুরো মুভিটাই এক লিংকে
২. সবগুলো মুভির জন্য ৪/৫ বিভিন্ন সাইটে আপলোড করা লিংক আছে। আপনার পছন্দ মতন লিংক ব্যবহার করতে পারবেন।
৩. কোন ধরনের আ্যড ফ্রি
৪. নিয়মিত আপডেট
৫. ফোরাম টাইপ, কোন রেজিস্টেশন দরকার হয় না। কোন সমস্যা হলে অন্য ইউজাররা সহায়তা করতে পারে
৬. সাইটি স্ট্যাবল...ডাউনটাইম আমার চোখে পড়ে নি।
আমি অনেকগুলো মুভি এখান থেকে নামিয়েছি (এখন দুটি নামাচ্ছি..)
তো মুভি প্রেমিক হলে শুরু করুন ডাউনলোড ।
ফোন করে পিসি চালু করার পদ্ধতি নিয়ে আসছে ইন্টেল
বিশ্বখ্যাত ইন্টেল কর্পোরেশন বাজারে নিয়ে আসছে ইন্টারনেট ফোন কলে কম্পিউটার চালু করার প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে পাওয়ার সেভিং স্লিপে থাকা পিসি ইন্টারনেট ফোন কলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়ে যাবে।ফোন কল রিসিভ করতে অনেক সময় পিসি পুরোপুরি চালু রাখতে হয়। এতে কল রিসিভের জন্য অকারণ শক্তির অপচয় হয়।
ইন্টারনেটের মাধ্যমে পিসিতে ফোন আসা মাত্র ইন্টেল ঘোষিত এই প্রযুক্তি পিসিকে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে পুরো শক্তি সরবরাহ করে স্লিপ মুড থেকে স্বাভাবিকে ফিরিয়ে আনবে। তখন পিসি তার মাইক্রোফোন ও লাউডস্পিকার চালু করে ইউজারের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে, এর পর কলটি সংযুক্ত করবে।
ইন্টারনেট টেলিফোন কোম্পানি ‘জাজাহ’ এই ফিচারটির প্রথম ব্যবহারকারী হতে যাচ্ছে। জাজাহ-এর চিফ একজিকিউটিভ ট্রেভর হেলি বলেন, “যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে পিসিকে এই প্রযুক্তি আরও একধাপ এগিয়ে নেবে।”
রিমোর্ট ওয়েকআপ ক্ষমতা সম্পন্ন প্রথম ইন্টেল মাদারবোর্ডগুলো সামনের মাসে সরিয়ে ফেলা হবে বলে জানান ইন্টেলের কনজুমার প্রোডার্ট মার্কেটিং ডিরেক্টর জো ভেন ডি ওয়াটার।
কম্পিউটারের কেন্দ্রে অবসি'ত এই সব উপাদান সাধারণত ছোট প্রস'তকারক কোম্পানি ব্যবহার করে। ডেল আইএনসি এবং পেকার্ড কমের মত বড় প্রস্তুতকারকরা নিজস্ব মাদারবোর্ড সলিউশন ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু ইন্টেল এসবের সাথে প্রযুক্তিগত সুবিধাও দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে।
চার ধরণের প্রাথমিক রিমোর্ট ওয়েকআপ মাদারবোর্ডগুলো ডেস্কটপ কম্পিউটারে ব্যবহার করা হবে। এর জন্য তারের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগের প্রয়োজন হবে, কেননা স্লিপ মুডে ওয়াই-ফাই অকার্যকর।
ভেন ডি ওয়াটার জানান, ব্যবহারকারী যে সকল সার্ভিসের গ্রাহক হবেন শুধুমাত্র সে সকল কলে কম্পিউটার চালু হবে। তাই ভুল কলে পিসি চালু হওয়াটা অসম্ভব।
অন্যদিকে ওয়েব কোম্পানি এবং ফোন সিস্টেমের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারক হিসেবে ক্যালির্ফোনিয়া ভিত্তিক জাজাহ নিজেদেরকে তৈরি করছে। এপ্রিলের এক চুক্তি অনুসারে এরা ইয়াহু মেসেঞ্জারের ফোন সেবাদানকারী হিসেবে নিয়োগ পায়।
নাম্বার এবং নাম উভয় দিয়ে ডায়াল করে গ্রাহক পিসি চালু করতে সক্ষম এই পদ্ধতি। গুগল টক এবং মাইক্রোসফটের উনডোজ লাইভ মেসেঞ্জারের মত ইন্টারনেট ভয়েজ সার্ভিস এবং অন্যান্য ইন্সট্যান্ট মেসেজিং সার্ভিসে পিসি চালু করার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে জাজাহ বলে জানান হেলি।
প্রেমের খভিতা: সময়কাল: ১৯৯৭-২০০৪ ;)
একসময় বউকে পটাতে কিছু কিছু খভিতা লিখতাম..সেটাও ২০০০ এর আগের ঘটনা। ব্লগার সৌপ্তিক আমার একটি পোষ্টে আমাকে এবং আমার বউকে নিয়ে একটা খভিতা উপহার দেয়। আমার খভিতা রচনা কালে আমি দুটো নাম ব্যবহার করতাম। সেগুলো দিয়ে এই খভিতাটা সংরক্ষণের জন্য আলাদা একটা পোষ্ট দিলাম। কবি সৌপ্তিকের জন্য থাকলো অনেক অনেক ধন্যবাদ।।
সময়কাল: ১৯৯৭-২০০৪
প্রেম নাই এ দুনিয়ায় প্রেম নাই
এই ভেবে সীমান্ত বাসে করে যাচ্ছিল
হঠাৎ করে দেখে এক রুপসী রাস্তার ওপাশে
ওমনি সীমান্ত কলিজা চিরে ডাক আসলো।
কি আর করা চলতি বাস থামাবে কে
সীমান্ত শুধু চেয়ে আছে কিছুদুর যেতে
সুন্দরী হারিয়ে গেছে।
হাহাকার নিয়ে সীমান্ত ঘুরে দিশেহারা
হঠাৎ করে পায় আবার সুন্দরীর দেখা
পিছু নেয় এবার অনেক কষ্টে সে হাসি দেয়
সুন্দরী একটুও চান্স না দেয়
এই দেখে সীমান্ত ঝাজা পায়
সীমান্ত নাছোড়বান্দা প্রেম সে করবেই
সুন্দরী তো ভাব মারবেই
পিছু নিয়ে সীমান্ত সুন্দরীর বাসা চেনে
বাসাটা তিন তলা
সম্মুখে তার বারান্দা।
প্রতিদিন সীমান্ত সুন্দরীর বাসার সামনে আসে
অবাক নয়নে বারান্দার দিকে চেয়ে থাকে
সুন্দরী তো আসে না
সীমান্ত ও হাল ছাড়ে না।
হঠাৎ একদিন বাদলা দিনে
সীমান্ত পাশের ওই চায়ের দোকানে
বৃষ্টি দেখতে আসে সুন্দরী
এই বুঝি সীমান্ত হয় কবি
কি সুন্দর তার রুপ।
সুন্দরী প্রথম দেখে সীমান্তকে
মনে হয় তার মনে প্রেম জাগে
চোখে চোখে কথা হয়
এই বুঝি প্রেম হয়।
হঠাৎ পাড়ার গুন্ডারা দাদাগিরি দেখায়
সীমান্ত আচ্ছামত মার খেয়ে তাগড়া
আশিক হয়।
হাল ছাড়ে না সীমান্ত
চিঠি লিখে সুন্দরীকে
বলে তার হৃদয়ের বেদন।
এই প্রথম সুন্দরী হাতে চিঠি পায়
নিচে সীমান্তের নামটি দেখতে পায়
সুন্দরী পাল্টা জবাব দেয়
তার মনের আশা তারে কয়
সীমান্ত চিঠি পায়
সুন্দরীর নাম নদী জানা হয়।
নদী তাঁরে বাসার ফোন নাম্বার দেয়
দুপুরে তার ফোন করতে কয়
সীমান্ত তাঁরে ফোন দেয়
ভীরু ভীরু গলায় দুজনে
কথা কয়।
এ ভাবে চলে চার মাস
তাদের প্রেম গাঢ় হয়
হঠাৎ একদিন সীমান্ত নদীর স্কুলে গিয়ে হাজির
নদী অবাক হয় মনে মনে খুশি হয়
সীমান্ত হাতে নিয়ে গোলাপ
জানায় তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা
এই দেখে নদী আবেগপ্লুত হয়।
না না এভাবে আর কদিন
দেখা না হলে মন ভরে কথা না হলে
কাটেনা দিবা স্বপন
তাই ঠিক হলো স্কুল ফাকি দিয়ে নদী
আসবে পার্কে, মন ভরে দুজনে বাদাম খাবে।
ঠিক তাই হলো দুজনে দেখা হলো
এই প্রথম হাতে হাত চোখে চোখ
অনেকটা সময় হলো কথা
মাঝে মাঝে এদিক সেদিক চাওয়া।
এর পর চললো সাঁই সাঁই প্রেম
দুজন শুধু দুজনার
প্রেমে কি শুধু মধু
জ্বালাও থাকে
কি নিয়ে যেনো ঝগড়া বাধলো
এর পর কথা কাটাকাটি হলো
কিছু দিন কথা বন্ধ
বিরহে সীমান্ত বিরহে নদী
ইন্টারমিশন আইলো।
কেমনে কেমনে জানি সর্ম্পক ঠিক হইলো
আবার দুজনে মিললো
মাঝে মাঝে সীমান্ত খভিতা লিখতো
নদী পইরা হাসতো।
আইলো মোবাইলের যুগ
সর্ম্পক আরো সহজ হইলো।
অনেক বছর পার হইলো
নদীর বিয়ের চাপ আইলো
সীমান্ত তখনো বেকার
হয়নি তার আকার
দুজনেই চিন্তিত কি হবে না হবে
এই ভেবে আশাহত।
হঠাৎ সীমান্ত ডিসিশান নিলো
পালিয়ে যাবে নদীকে নিয়ে
যা হবে কপালে
পরে দেখা যাবে।
বান্ধবীর বাসার নাম করে নদী পালালো
সীমান্ত তাঁর জন্য বাস স্ট্যান্ডে অপেক্ষারত।
দুজনে বাসে করে পালালো
সীমান্ত তার বন্ধুর বাসায় উঠলো
তাঁরা শুভবিবাহ সেরে
ঝামলোমুক্ত হলো।
তিনমাস হলো নদীর বাসার
সবাই পাগল হ্ইলো
সীমান্তের মা শয্যাশায়ী
সীমান্তের বন্ধুরা বকা খাইলো।
বন্ধু মারফত খবর পাইয়া সীমান্ত বাড়ি আইলো
বাপের হাতে কিছু উত্তম মাধ্যম খাইলো
মেনে নেয় না তারা এ বিয়ে
দুলাভাই এসে ঝামেলা চুকালো।
ওদিকে মেয়ের ঘরে সবাই কান্দে
সীমান্তের দুলাভাই তাঁদের
সীমান্তের ঘরে আনে।
কার জানি রহমত
সবাই এ বিয়া মাইনা নিলো।
ওদিকে সীমান্ত চাকরী খুজে
হন্য হইয়া জুতা ছিড়ে
কিছুতেই হয়না কিছু
সবার পেরেশানি বাড়ে
কি রহমত! কি রহমত
দুলাভাই ভিসা আনে
ভিসা পাইয়া সীমান্ত নদীর কাছ থেকে
বিদায় নিয়া বিদেশ গেলো।
বিদেশ তার ভালো লাগে না
নদীরে মিস করে এই কথা কইতেও পারে না
কি আর করা সবই কপাল
তাই মাঝে মাঝে স্বদেশে পলায়।
[আমাদের বউয়ের সাথে আমার প্রথম দেখা ১৯৯৭ এ, কিছুদিন তার হাউজ টিউটর ছিলাম। পরে দুজন একই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করি। পাস করে দুজন চাকরী করি দু'শহরে। বিয়ের পরও তাই থাকে। এরপর সরকারী বৃত্তি নিয়ে সে চলে যায় এক দেশে আমি পড়াশোনা করতে কানাডায়। আমি আসার অল্প কিছুদিন পর ও এখানে আসে। আমাদের মূল সংসার আমরা কানাডাতেই শুরু করি। সৌপ্তিককে আমাদের প্রেমের সময়কাল টা বলেছিলাম। সেটা নিয়ে এত চমৎকার সাহিত্য রচনা করেছে...এক কথায় অতুলনীয়]
আর্কাইভ
আওয়ামী লীগ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি কতটুকু বাস্তবায়ন করবে?
আগামী নির্বাচনে কে জিতবে?
সাম্প্রতিক মন্তব্য
পোষ্ট ট্যাগ
- 1971 (1)
- 2008 (1)
- Abused (1)
- ads (3)
- AL (2)
- alo (1)
- article (1)
- bangla (2)
- bangladesh (14)
- bdr (1)
- bengali (1)
- bill (1)
- biography (1)
- block (1)
- blog (3)
- book (2)
- bsf (1)
- computer (1)
- crime (1)
- diary (2)
- drugs (1)
- e-book (2)
- e-prothom (1)
- economics (2)
- education (1)
- election (5)
- entertainment (2)
- fun (6)
- gates (1)
- generation (1)
- girls (1)
- Harassment (1)
- hasina (1)
- ielts (1)
- internet (4)
- iqbal (1)
- jafar (1)
- joy (1)
- killing (1)
- liberation (1)
- love (1)
- magazines (2)
- media (1)
- Mobile. Phone (1)
- movies (1)
- net (1)
- news (9)
- obama (1)
- paper (1)
- pc (1)
- pdf (1)
- pechali (1)
- personal (1)
- plant (1)
- poem (2)
- politics (7)
- protection (1)
- prothom-alo (1)
- proxy (1)
- security (1)
- sex (1)
- sexual (1)
- Sexually (1)
- smoking (1)
- soft (2)
- somewherein (1)
- tech (2)
- tips (1)
- war (1)
- web (2)
- women (3)
- young (2)
এই ব্লগে..
যেকোন বিষয় নিয়ে মেইল করতে পারেন: bdidol@জিমেইল.কম
